সূচনা
হোম ফিচারসমূহ খরচ ও সাশ্রয় ফ্রি ডেমো বুক করুন
MicroCampus Logo MicroCampus

© MicroCampus BD

"ঠিক এই মুহূর্তে, বাংলাদেশের কোথাও একজন স্কুল অ্যাকাউন্ট্যান্ট ৪শ শিক্ষার্থীর নাম রেজিস্টার খাতায় হাতে লিখছেন। একজন শিক্ষক কাগজ থেকে মার্কসগুলো এক্সেলে কপি করছেন। একজন অভিভাবক জানতেই পারছেন না যে তার সন্তান আজ ক্লাসে নেই। আর স্কুলের এডমিন শুক্রবারের রাত পার করছেন রেজাল্ট কার্ড বানাতে, যা আসলে মাত্র ৫ মিনিটের কাজ।"

এটা তাঁদের দোষ নয়।

বছর পর বছর এভাবেই কাজ চলে আসছে।

কিন্তু এখন সময় বদলাবে।

"৩৮ জন শিক্ষার্থীর নাম ধরে ডাকা। রোজ সকালে একই কাজ।"

সনাতন পদ্ধতি

প্রতিদিন সকালে একজন শিক্ষক ৩৮ জন শিক্ষার্থীর নাম ধরে ডাকেন।

একে একে সব ছাত্রছাত্রী হাজিরা দেয়।

শিক্ষক কলম দিয়ে একটি কাগজের রেজিস্টারে টিক দেন।

মাসের শেষে, কেউ একজন বসে বসে প্রত্যেক ছাত্রের উপস্থিতির দিনগুলো গণনা করেন। ৫০০ শিক্ষার্থীর স্কুলের জন্য এতে কয়েক দিন লেগে যায়।

আর যদি কোনো শিক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকে? অভিভাবককে জানানোর কেউ নেই। সন্তান বাড়ি না আসা পর্যন্ত তারা কিছুই জানতে পারেন না।

সনাতন হাজিরা পদ্ধতি

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

শিক্ষক তার ফোনটি বের করেন।

৩৮ জন ছাত্রের তালিকা সেখানে আগে থেকেই আছে। তিনি শুধু নামের পাশে 'Present' বা 'Absent' ট্যাপ করেন। কাজ শেষ মাত্র ৬০ সেকেন্ডে।

যেই মুহূর্তে তিনি কাউকে 'Absent' মার্ক করেন, সাথে সাথে তার অভিভাবকের ফোনে একটি অটোমেটেড এসএমএস চলে যায়।

"সম্মানিত অভিভাবক, আপনার সন্তান রহিম আজ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত। – সানরাইজ স্কুল"

শিক্ষককে সেই মেসেজ লিখতে হয়নি, পাঠাতেও হয়নি। সিস্টেম সব নিজে নিজেই করেছে।

মাসের শেষে হাজিরা রিপোর্ট অটোমেটিক তৈরি হয়ে যায়। আর কোনো কাটাকাটি বা হাতে গোনার ঝামেলা নেই।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল হাজিরা

"মার্কশিট বানাতে ৩ সপ্তাহ সময় লাগে। অথচ পরীক্ষা দিতে সময় লেগেছিল মাত্র ২ ঘণ্টা।"

সনাতন পদ্ধতি

প্রত্যেক বিষয়ের শিক্ষক হাতে লিখে মার্কস তৈরি করেন — ৪৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা আলাদা মার্কশিট।

শ্রেণি শিক্ষক ৮ জন ভিন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে মার্কস সংগ্রহ করেন। কেউ দেরিতে জমা দেন, কারো হিসেবে ভুল থাকে।

এরপর এডমিন এক্সেলে বসে একে একে সব মার্কস ইনপুট দেন। তারপর টোটাল ক্যালকুলেশন, জিপিএ এবং মার্কশিট ফরম্যাট করে প্রিন্ট করতে হয়।

অর্থাৎ প্রতি পরীক্ষায় ২২,৪০০টি এন্ট্রি দিতে হয় হাতে।

পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ২ থেকে ৩ সপ্তাহ লেগে যায়। অভিভাবক এবং শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকেন।

সনাতন রেজাল্ট প্রসেসিং

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

প্রত্যেক শিক্ষকের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট থাকে, যার মাধ্যমে তারা যেকোনো জায়গা থেকে নিজ বিষয়ের নম্বর ইনপুট দিতে পারেন।

শিক্ষকদের নম্বর ইনপুট দেওয়ার সাথে সাথেই সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চূড়ান্ত ফলাফল ও মেধা তালিকা তৈরি করে ফেলে।

কাগজ-কলমের হিসাব বা ম্যানুয়াল ডেটা এন্ট্রির কোনো প্রয়োজন নেই, পুরো প্রক্রিয়াটি এখন মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার।

মাইক্রোক্যাম্পাস রেজাল্ট অটোমেশন

"৪৮০টি ইনভয়েস। কাজ মাত্র একটি ক্লিকের।"

সনাতন পদ্ধতি

অ্যাকাউন্ট্যান্ট তার মোটা রেজিস্টার খাতা বা একটি জটিল এক্সেল শিট নিয়ে বসেন। ৪৮০ জন শিক্ষার্থীর বিশাল তালিকায় খুঁজে বের করতে হয় কে টাকা দিয়েছে আর কার বাকি।

যারা টাকা দেয়নি তাদের একে একে ফোন করতে হয়। এক্সেলে ম্যানুয়ালি ডেটা এন্ট্রি দেওয়া আর হিসেব মেলানো যেন এক শেষ না হওয়া যুদ্ধ।

প্রতিটি পেমেন্টের জন্য হাতে রসিদ কাটতে হয় এবং দিনশেষে সেই ক্যাশ আর এক্সেলের হিসেব মেলাতে গিয়েই অনেকটা সময় নষ্ট হয়।

মাসের শেষে যখন প্রিন্সিপাল রিপোর্ট চান, তখন সেই অগোছালো এক্সেল শিট বা খাতা থেকে রিপোর্ট তৈরি করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হয়। ভুল হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

সনাতন ফি কালেকশন

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

মাসের ১ তারিখে এডমিন মাত্র একটি ক্লিক করেন। ৪৮০টি ইনভয়েস সাথে সাথে তৈরি হয়ে যায়।

অভিভাবকরা এসএমএস পান: "সম্মানিত অভিভাবক, আপনার সন্তানের বেতন বাকি আছে। অনলাইনে পরিশোধ করুন।"

একজন অভিভাবক ঘরে বসেই বিকাশ দিয়ে মাত্র ৯০ সেকেন্ডে টাকা জমা দেন। সাথে সাথেই একটি ডিজিটাল রসিদ তৈরি হয়ে যায়।

বকেয়া তালিকা রিয়েল-টাইমে আপডেট হয়। অ্যাকাউন্ট্যান্ট শুধু "রিমাইন্ডার পাঠান" বাটনে ক্লিক করেন — সব বাকি থাকা অভিভাবকদের কাছে একটি এসএমএস চলে যায়। কাউকে একটি ফোনও করতে হয়নি।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল পেমেন্ট

"অভিভাবক জানতে পারলেন বিকাল ৫ টায়। অথচ স্কুল কর্তৃপক্ষ জানত সকাল ৯টাতেই।"

সনাতন পদ্ধতি

প্রিন্সিপাল একটি নোটিশ লেখেন। সেটি ৪৮০ বার ফটোকপি করা হয়। প্রতিটি কপি একজন শিক্ষার্থীকে দেওয়া হয় বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

কিছু শিক্ষার্থী ভুলে যায়। কিছু নোটিশ ব্যাগ থেকে হারিয়ে যায়। অনেক অভিভাবক তা দেখারই সুযোগ পান না।

জরুরি কোনো ঘোষণা — যেমন বন্যার কারণে স্কুল বন্ধ — এর জন্য দ্রুত কোনো মাধ্যম থাকে না।

প্রিন্সিপাল কয়েকজন অভিভাবককে ফোন করেন। তারা অন্যদের ফোন করেন। সকালের মধ্যে দেখা যায় অর্ধেক স্কুল ঠিকই হাজির হয়ে গেছে।

সনাতন নোটিশ পদ্ধতি

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

এডমিন মাত্র একটি মেসেজ লেখেন। সিলেক্ট করেন: সব অভিভাবক — SMS।

৬০ সেকেন্ডের মধ্যে সব অভিভাবকের ফোনে মেসেজ চলে যায়:

"সম্মানিত অভিভাবক, বন্যার কারণে আগামীকাল বিদ্যালয় বন্ধ থাকবে। – সানরাইজ স্কুল"

নির্দিষ্ট ক্লাসের জন্য আপডেট — যেমন শুধু নবম শ্রেণির অভিভাবকদের এসএমএস পাঠানো সম্ভব। এমনকি শুধু যারা ফেল করেছে তাদের অভিভাবকদেরও আলাদাভাবে জানানো যায়।

একটি মেসেজ। সঠিক মানুষ। মুহূর্তেই।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল নোটিশ

"তিনি পুরো শুক্রবার রাত রেজাল্ট কার্ড লিখে কাটালেন। আবার সেই একই কাজ।"

সনাতন পদ্ধতি

ফলাফল তৈরি। এখন ৪০০ শিক্ষার্থীর জন্য আলাদা আলাদা রেজাল্ট কার্ড প্রস্তুত করতে হবে।

শিক্ষক বা এডমিন এক্সেলে থাকা মার্কসগুলো নিয়ে একটি প্রিন্টেড টেমপ্লেটে হাতে লেখেন — একেক করে সবার জন্য।

নাম, রোল, মার্কস, গ্রেড, মোট নম্বর, জিপিএ, মন্তব্য এবং মেধা স্থান। এরপর শ্রেণি শিক্ষকের স্বাক্ষর ও প্রিন্সিপালের সিল।

পুরো টিমের কয়েক দিন লেগে যায় এই কাজে। ভুল হওয়া খুবই স্বাভাবিক।

ফলাফল প্রকাশের দিনে ছাত্ররা লাইন ধরে দাঁড়ায়। নাম ডাকা হয়। কেউ অনুপস্থিত থাকলে সে রেজাল্ট জানতে পারে না।

সনাতন রেজাল্ট কার্ড

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

যখন এডমিন "ফলাফল প্রকাশ" বাটনে ক্লিক করেন:

প্রত্যেক শিক্ষার্থীর রেজাল্ট কার্ড আগে থেকেই তৈরি থাকে — সুন্দর ফরম্যাটে, স্কুলের ব্র্যান্ডিং এবং সব বিষয়ের মার্কস, গ্রেড ও জিপিএ সহ।

অভিভাগরা তাদের পোর্টাল থেকে PDF রেজাল্ট কার্ড ডাউনলোড করতে পারেন — যা প্রিন্ট করা বা অনলাইনে সংরক্ষণ করা যায় চিরস্থায়ীভাবে।

যারা সেদিন স্কুলে নেই, তারা কিছুই মিস করে না। অন্য শহরে থাকা অভিভাবকরাও ঠিক একই সময়ে রেজাল্ট দেখতে পান।

রেজাল্ট ডে এখন আর ঝামেলার কোনো দিন নয়, বরং একটি ক্লিকের বিষয়।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল রেজাল্ট

"কেমন হতো যদি স্কুল নিজেই নিজের সব কাজ সামলাতে পারত?"

সনাতন পদ্ধতি

স্কুল রুটিন বানানো একটি বিশাল ধাঁধার মতো, যা শেষ করতে একাডেমিক কো-অর্ডিনেটরের পুরো সপ্তাহ কেটে যায়। ১২টি ক্লাস, প্রতিদিন ৮টি পিরিয়ড, সপ্তাহে ৬ দিন।

এটি সাধারণ কাগজে বা সাধারণ একটি এক্সেল শিটে করা হয়।

ভুল ধরা পড়ে অনেক পরে — মাঝেমধ্যে দেখা যায় একই সময়ে দুজন শিক্ষক একই ক্লাসে উপস্থিত হয়ে গেছেন।

যখন কোনো শিক্ষক পরিবর্তন করা হয়, তখন পুরো রুটিন আবার নতুন করে হাতে তৈরি করতে হয়।

সনাতন রুটিন পদ্ধতি

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

এডমিন শুধু শিক্ষকদের বিষয়গুলো অ্যাসাইন করেন, রুটিন বিল্ডার খোলেন এবং পিরিয়ডগুলো ড্র্যাগ অ্যান্ড ড্রপ করে সাজান।

যদি এডমিন ভুল করে মিসেস সালমাকে একই সময়ে ৮ম এবং ৭ম শ্রেণিতে দিতে চান:

"সতর্কতা: মিসেস সালমা ইতিমধ্যেই ৭ম শ্রেণিতে দায়িত্বরত আছেন।"

প্রত্যেক শিক্ষকের ব্যক্তিগত রুটিন অটোমেটিক তৈরি হয়ে যায়। যখন মিসেস সালমা লগইন করেন, তিনি তার পুরো সপ্তাহের রুটিন দেখতে পান।

কোনো ভুল নেই, ঝগড়া নেই। শিক্ষকরা জানেন তাদের কখন কোথায় থাকতে হবে।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল রুটিন

"বেতনের হিসাব করতে যেখানে ২ দিন লাগত, এখন লাগবে মাত্র ২ মিনিট।"

সনাতন পদ্ধতি

একজন শিক্ষক অসুস্থতাজনিত ছুটি চাইলেন। তিনি প্রিন্সিপালকে ফোন করলেন। প্রিন্সিপাল রাজী হলেন। কিন্তু এটি কি কোথাও রেকর্ড করা হলো?

অ্যাকাউন্ট্যান্ট কি জানেন যে তার বেতন থেকে এটি কাটা হবে? বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটি সঠিকভাবে হয় না।

মাসের শেষে অ্যাকাউন্ট্যান্ট হাজিরা খাতা নিয়ে বসেন, প্রতিটি স্টাফের অনুপস্থিতির দিন গুণেন, এরপর বেতন, ভাতা ও অন্যান্য কাটাকাটি হিসেব করেন।

প্রতি মাসে এক্সেলে শূন্য থেকে শুরু করতে হয়। স্টাফরা হিসেবে গরমিল নিয়ে অভিযোগ করেন। কোনো পেশাদার পে-স্লিপও দেওয়া হয় না।

সনাতন বেতন পদ্ধতি

কিন্তু মাইক্রোক্যাম্পাসে —

মাইক্রোক্যাম্পাস প্রযুক্তি

শিক্ষক তার পোর্টাল থেকে ছুটির আবেদন করেন। এডমিন এক ক্লিকে তা অ্যাপ্রুভ করেন। ছুটি তার কোটা থেকে অটোমেটিক বিয়োগ হয়ে যায়।

মাসের শেষে এডমিন শুধু "স্যালারি জেনারেট করুন" বাটনে ক্লিক করেন।

সিস্টেম নিজে থেকেই মূল বেতন, ভাতা এবং অনুমোদনহীন অনুপস্থিতির জন্য বেতন কর্তন করে নেট স্যালারি তৈরি করে ফেলে।

এটি অটোমেটিক সব স্টাফকে তাদের ইমেইলে PDF পে-স্লিপ পাঠিয়ে দেয়। সবকিছুই একদম পেশাদার।

সবকিছুই ডকুমেন্টেড থাকে বলে হিসেবে কোনো গরমিলের সুযোগ নেই।

মাইক্রোক্যাম্পাস ডিজিটাল বেতন

এক নজরে আমাদের ফিচারসমূহ

একটি আধুনিক ও ডিজিটাল স্কুল পরিচালনার জন্য যা যা প্রয়োজন, তার সবকিছুই আছে আমাদের এই প্ল্যাটফর্মে।

কেন্দ্রীয় প্রশাসন

একটি ড্যাশবোর্ড থেকেই পুরো স্কুল নিয়ন্ত্রণ করুন। আলাদা আলাদা ইউজার রোল এবং সেটিংস সেট করার সুবিধা।

একাডেমিক ম্যানেজমেন্ট

শ্রেণি, বিষয়, ক্লাস রুটিন এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার সাজানোর সহজ উপায়।

শিক্ষার্থী তথ্য

ভর্তি প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট ডিজিটাল প্রোফাইল ম্যানেজমেন্ট।

স্মার্ট হাজিরা

শিক্ষার্থী ও স্টাফদের দৈনিক হাজিরা এবং অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকদের অটোমেটিক এসএমএস।

বেতন ও হিসাব

বিকাশ/নগদ এর মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট, অটোমেটিক ইনভয়েস এবং খরচ ব্যবস্থাপনা।

পরীক্ষা ও ফলাফল

অটো-গ্রেডিং, ডিজিটাল মার্কশিট তৈরি এবং অনলাইনে দ্রুত ফলাফল প্রকাশ।

জনবল ও বেতন

স্টাফদের ছুটি এবং অটোমেটেড পে-স্লিপের মাধ্যমে নির্ভুল বেতন ব্যবস্থাপনা।

যোগাযোগ কেন্দ্র

সবাইকে একসাথে এসএমএস পাঠানো, ডিজিটাল নোটিশবোর্ড এবং সার্কুলার।

ডিজিটাল লাইব্রেরি

বইয়ের তালিকা রাখা, লেনদেন ট্র্যাক করা এবং লেট ফির হিসাব।

পরিবহন ব্যবস্থাপনা

বাসের রুট প্ল্যানিং, গাড়ির তথ্য এবং ড্রাইভার ম্যানেজমেন্ট।

প্যারেন্ট পোর্টাল

অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা মোবাইল-ফ্রেন্ডলি ড্যাশবোর্ড।

অ্যাডভান্সড অ্যানালিটিক্স

স্কুলের উন্নতির জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে তথ্য-নির্ভর রিপোর্ট।

"এই সব কাজ হাতে-কলমে করতে
একটি স্কুলের প্রয়োজন হয়:"

১ জন ডাটা এন্ট্রি অপারেটর
৳১৫,০০০
১ জন অফিস অ্যাকাউন্ট্যান্ট
৳১৮,০০০
১ জন কমিউনিকেশন কো-অর্ডিনেটর
৳১৪,০০০
অতিরিক্ত জনবল খরচ (মাসিক) ৳০

+ কাজের ভুল। + দীর্ঘসূত্রিতা। + কাগুজে কাজ। + ফোনের খরচ।

অথবা...

৳৫,০০০/মাস

যা উপরে উল্লিখিত তিনজনের কাজ একাই করতে পারে। দ্রুততর, নির্ভুলভাবে এবং সম্পূর্ণ ডিজিটালি।
কোনো বাড়তি কাগজ বা ফোনের ঝামেলা ছাড়াই।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

আপনার মনে থাকা কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর

মাইক্রোক্যাম্পাস কি ছোট স্কুলের জন্য উপযুক্ত?

হ্যাঁ, মাইক্রোক্যাম্পাস যেকোনো সাইজের স্কুলের জন্য উপযোগী। আমরা আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ফিচারগুলো কাস্টমাইজ করে দিই।

আমাদের কি আলাদা কোনো হার্ডওয়্যার কিনতে হবে?

না, এটি একটি ক্লাউড-বেসড সফটওয়্যার। আপনার শুধু একটি স্মার্টফোন বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই চলবে।

শিক্ষকদের ট্রেনিং কি আপনারা দেবেন?

অবশ্যই। আমরা আপনাদের পুরো টিমের জন্য ফ্রি ট্রেনিং সেশন পরিচালনা করি এবং ২৪/৭ টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রদান করি।

ডেটা কি নিরাপদ থাকবে?

আপনার স্কুলের সব ডেটা আমাদের হাইলি সিকিউরড এনক্রিপ্টেড সার্ভারে সংরক্ষিত থাকে। আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ এই ডেটা এক্সেস করতে পারবে না।